ব্যবসায়িক বা সেবা পণ্যের সেল বাড়ানো সেরা ১০টি টিপস
বর্তমান যুগে সবাই বিভিন্ন পেশায়
নিযু্ক্ত আর পেশাগত কারনে আমাদেরকে বিভিন্ন প্রোডাক্ট সেল করতে হয়। পেশাগত কারনে আমরা
সবাই সেলার। কেউ হতে পারে ব্যাংকার, কেউ হতে পারে ডাক্তার, কেউ হতে ব্যবসায়ী সবাইকে
কিন্তু নিজের পন্য বা সেবা বিক্রি করতে হয়। সবাই নিজের পন্য বা সেবা বিক্রি বাড়ানো নিয়ে নানা রকম পলিসি
প্রয়োগ করার চেষ্টা করে কিন্তু সঠিক ভাবে পলিসি গুলো না জানার কারনে অনেকের মেধা থাকা
সত্তেও সেটা প্রয়োগ করতে পারে না। আপনি সে পন্যটি বিক্রি করেছেন তা অন্যরা বিক্রি করছে
তাহলে ক্রেতা কেন আপনার পন্য কিনবে।
নিচের টিপস গুলো ফলো করলে আপনার পন্যকে নিঃসন্দেহে অন্যের থেকে
আলাদা করে তুলবে আর আপনার পন্যের বিক্রি বেড়ে যাবে কয়েকগুণঃ
পন্য বা সেবার সেল বাড়ানোর সেরা ১০ টি টিপস-
০১। গিফট প্রদানঃ আপনার পন্যের সেল বাড়ানোর জন্য গিফট
প্রদানের ব্যবস্থা করুন। মানুষ গিফট পেতে খুব ভালবাসে। তাই পন্যের সাথে গিফট রাখুন।
যা আপনার পন্যকে আরো আর্কষনীয় করে তুলবে ক্রেতার কাছে।
২। একটা কিনলে আরেকটা ফ্রিঃ আপনার পন্যটি যখন চলবে না
খুব কম চলবে তখন আপনাকে কৌশলী হতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা করে আপনার পণ্যের বিক্রি
বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনার মূল পণ্যের সাথে আপনার অচল পন্য বা ধীর গতির পন্যকে ফ্রি
দিয়ে দিন। এতে আপনার মুল পন্যটি সেল হবে বহুগুণ ফলে আপনি আপনার মূল পন্যের বিক্রি বহু
গুন বাড়িযে আপনার অচল পন্যটির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।
৩। পন্যের আর্কষনীয় বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ক্রেতাকে অবগত করাঃ আপনি
যদি আপনার পণ্যের বিক্রি বাড়াতে চান তাহলে আপনার পন্যেকে ক্রেতার কাছে আর্কষনীয় করে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার
পন্যের বিশেষত্ব বা ইউনিক বৈশিষ্ট্য আপনার ত্রেতার কাছে তুলে ধরতে হবে। আপনি যদি পন্যের
বিশেষত্ব বা ইউনিক বৈশিষ্ট্য ক্রেতার কাছে তুলে ধরতে পারেন যে বাজারে বিদ্যামান একই
রকম পন্য থেকে আপনার পন্যটি বিশেষ বৈষিষ্ট্যর অধিকারী তবে ত্রেতা নিসন্দেহে আপনার পন্যটি
কিনবে।
৪। পোডাক্টের ইনসেনটিব প্রদান করুনঃ আপনি আপনার পন্যের ইনসেনটিভ কার্যক্রম এর মাধ্যমে পন্যের বিক্রি বাড়াতে পারেন। যদি আপনি খুচরা বিক্রিতে হন তাহলে ক্রেতা আপনার কোন পন্যে ১০ প্যকেট নিতে চাচ্ছে, আপনি ক্রেতা বলুন আপনি আরো ৫ প্যাকেট বেশি নেন তাহলে আমি আপনাকে ১০% ডিসকাউন্ট দিব। তখন ক্রেতা ১০% ডিসকাউন্ট এর জন্য নিঃসন্দেহে বেশি ক্রয় করবে।
৫। ভিজিবিলিটি-দ্রব্যকে দৃষ্টিগোচর করুনঃ আপনি
আপনার পন্যটি ক্রেতার চোখে ভিজিবাল করে তুলুন। অর্থাৎ পন্য যাতে সহজে ক্রেতার চোখে
পড়ে সেভাবে পন্যটি সাজান। ত্রেতার আই লেভেল বরাবর পন্যটি রাখুন। তাহলে ক্রেতা সহজে
পন্যটিতে আকৃষ্ট হবে পন্যটি সর্ম্পকে ক্রেতার আগ্রহ বাড়বে আর ক্রেতার আগ্রহ বাড়লে আপনার
পন্যটি বিক্রির সম্ভবনা বেড়ে যাবে কয়েকগুণ।
৬। কাস্টমার ফেন্ডলি রিলেসনঃ কাস্টমারের
সাথে বন্ধুত্বপুর্ন সম্পর্ক তৈরী করুন। পন্যর গুনাগুন সম্পর্কে ত্রেতাকে ভালভাবে অবহিত
করে পন্যটি বিক্রি করুন। কাস্টমারের ভিজিটিং কার্ড রাখুন তার স্পেশাল ডেতে তাকে উইস
করুন। আপনার প্রতি কাস্টমারের লয়েটি বেড়ে যাবে বহুগুন। সে আপনার দীর্ঘ মেয়াদি কাস্টমারে
পরিণত হবে।
৭। নতুন প্রডাক্ট বাজারে আনুনঃ মানুষের
রুচি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয় । পুরনোকে বাদ বারবার নতুন কিছু অনুভব করতে চায়। সাভাবিক
ভাবে কোন পন্যেনের ক্ষেত্রেও একঘেয়েমি আসতে পারে। মানুষের রুচির পরিবর্তন বিষয়টি অনুবাধন
করে আপনাকে পন্যের মধ্যে নতুত্ব আনতে হবে। পন্য নতুনত্ব আনলে আপনার পন্য বিক্রি অবশ্যই
বাড়বে।
৮। পোডাক্টের প্যাকেজিং ঃ যারে দেখতে নাড়ী তার চলন বাকা। দেখতে সুন্দর না
হলে প্রথমে দৃস্টি আর্কষিত হবে না । তাই আপনার পন্যকে ক্রেতার আর্কষনীয় করার জন্য আপনার পণ্যের সুন্দর প্যাকেজিং
করুন তাকে ক্রেতার আস্থা তৈরী হবে। আর আস্থা তৈরী হলে ক্রেতা তখন আপনার পণ্যেটি কিনবে।
৯। প্রেজেন্টেশনঃ পন্যের প্রেজেন্টটেশন সুন্দর করুন। আর আপনার
পন্যের প্রেজেন্টশন সুন্দর করার জন্য অবশ্যই আপনাকে আপনার পন্যের খুটি নাটি সব বিষয়ে
ভাল ধারনা রাখতে হবে তাহলে আপনার পন্যের প্রেজেন্টশন অনেক সুন্দর হবে। সুন্দর প্রেজেন্টশন
আপনার পন্যের বিক্রি বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুন।
১০। কাস্টমার
লয়েলটি প্রোগ্রামঃ আপনি একটা প্রোডাক্ট দিয়ে কাস্টমারকে
একটি পয়েন্ট দিলেন বা ক্যাশ ব্যক অফার দিলেন। এতে করে আপনার পন্য বিক্রি বেড়ে যাবে।
আপনার রেগুলার কাস্টমার তৈরী হবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য কাস্টমার ধরে রাখবে।

Post a Comment
Post a Comment